সম্প্রতি জানা গেছে, ফেসবুকের সর্বোচ্চ দ্বিতীয় ব্যবহারকারীর শহর ঢাকা।
আপনি-আমি-আমাদের পাশের মানুষও এখন ফেসবুকের জালে আটকে গিয়েছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার যেমন একদিকে ইতিবাচক,
অন্যদিকে তা 'প্রযুক্তিতে আসক্তি' নামের নেতিবাচক সমস্যারও কারণও।
যেকোনো বয়সের মানুষই প্রযুক্তির আসক্তিতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
কিশোরদের প্রযুক্তিতে আসক্তির কারণে সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে,
পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে,
নীতি-সামাজিক দায়ের প্রতি বিরক্তি বাড়ছে তাদের।
কিশোরদের মতোই তরুণ পেশাজীবীদের মধ্যেও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি বাড়ছে।
এতে তাদের কর্মস্পৃহা কমছে,
কাজে অমনোযোগিতা বাড়ছে।
যেভাবে কমাতে পারেন প্রযুক্তিতে আসক্তি
* রাতে ঘুমানোর আগে বিছানা থেকে মুঠোফোন ১০ হাত দূরে রাখুন।
* সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে ফোন কিংবা ল্যাপটপের সামনে বসবেন না।
* ইন্টারনেট ব্রাউজারে মজিলা কিংবা ক্রোম এক্সটিংশন ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহার সীমিত করতে পারেন।
* কাগজে পত্রিকা আর বই পড়ার পুরোনো অভ্যাসকে ফিরিয়ে আনুন।
* যেকোনো মিটিং কিংবা ক্লাসে মুঠোফোন এড়িয়ে চলুন।
* সন্তানকে ইন্টারনেটের প্রয়োজনের দিকটা বেশি করে জানাতে চেষ্টা করুন।

Không có nhận xét nào:
Đăng nhận xét